তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

জবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২১তম ব্যাচের নবীনবরণ ও হেমন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত

Desk Editor 1 hour আগে | ০৭:০১ PM

আবু সাঈম,জবি প্রতিনিধি :

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আয়োজনে বিভাগের ২১তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও ‘হেমন্ত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান-টি সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপা-চার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

 

বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপা-চার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, একসময় ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ঋতুভিত্তিক উৎসব ও উদ্‌যাপনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে আমাদের সংস্কৃতি থেকে এসব ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করার লক্ষ্যে হেমন্ত উৎসবের আয়োজন করেছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

 

তিনি আরও বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনোজগৎ, জীবনযাত্রা, অবস্থান ও মানসিকতার মধ্যেও পরিবর্তন আসে। প্রকৃতির এসব পরিবর্তনকে উপলব্ধি করা এবং তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আজকের আয়োজন গতানুগতিক অনুষ্ঠানের বাইরে একটি ভিন্নধর্মী ও উপভোগ্য আয়োজন। এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মননশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিজ্ঞাপন

 

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে উপা-চার্য বলেন, আমার শিক্ষার্থীদের যেকোনো আয়োজনে আমি তাদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের আনন্দ আমার আনন্দ, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাকেও ব্যথিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা আন্তরিকতার সঙ্গে চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করি। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসন সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমিত সামর্থ্য ও নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধন। ইতোমধ্যে চলতি বছরে কিউএস (QS) র‍্যাঙ্কিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ৩৮ ধাপ এগিয়েছে, যা আমাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। এ অগ্রগতিকে আরও সুসংহত করতে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

বিজ্ঞাপন

উপা-চার্য আরও বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সাংস্কৃতিক চর্চারও বিকাশ ঘটাতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মননশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহমুদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ