নিজস্ব প্রতিনিধি
সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম গামী ট্রেনের টিকেটের কালোবাজার রোধে প্রনোদিত হয়ে সিনিয়র
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলা করেছে। সিলেট মহানগর আদলতে দায়েরকৃত মামলা নং-০১/২০২৬ মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন( পিবিআই)
মামলার সূত্রে জানা গেছে, উপবন, কালনি, জয়ন্তিকা, পারাবত, উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনসমুহের টিকেট সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র অসন্তোষ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
ট্রেনের টিকেট বিক্রয়ের জন্য অনলাইন প্লাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সকল টিকেট বিক্রয় হয়ে যায় মর্মে বিভিন্ন উৎস হতে বিজ্ঞ আদালতের নিকট অভিযোগ করা হয়। ট্রেনের টিকেট বিক্রয়ের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করে আদালত দেখেন যে, নির্দিষ্ট দিনের টিকেট বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সকল টিকেট বিক্রয় হয়ে যায়। এত গুলো টিকেট মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতের নিকট সন্দেহের সৃষ্টি করে।
একটি চক্র ট্রেনের টিকেট বাজা-রজাতকরণের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কারো কারো সহায়তায় মুহুর্তেই ট্রেনের সকল টিকেট হাওয়া করে দিয়ে অধিক মূল্যে যাত্রীদের নিকট বিক্রয় করছে। এ ধরনের কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের হয়র-ানির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাড়াচ্ছে।
উক্ত বিষয়টি ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল নোমান-এর নজরে আসে। মুহুর্তের মধ্যে ট্রেনের টিকেট হাওয়া হয়ে যাওয়ার ঘটনা পর্যালোচনায় কালোবাজারী ও মজুদদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে মর্মে সন্দেহের কারণে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল নোমান স্ব-উদ্যোগে দায়ের করে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপার, পিবিআই সিলেটকে নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই সিলেটের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আহাদকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
বার্তা প্রেরক
মাোহাম্মদ নাজির মিয়া
হবিগঞ্জে মাধবপুর থেকে
০১৯৭৯২৪৫৩৩৭