তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

‘ভুল বোঝাবুঝি’তে দফায় দফায় সংঘ-র্ষ, হাসপাতালে নেতাকর্মী তাহলে বোঝাপড়াটা কিসের

Nayem Hasan Nirob Sirajganj 2 hours আগে | ০৯:১৬ PM

‘ভুল বোঝাবুঝি’তে দফায় দফায় সংঘ-র্ষ, হাসপাতালে নেতাকর্মী তাহলে বোঝাপড়াটা কিসের?

জাককানইবি প্রতিনিধি:

 

 

বিজ্ঞাপন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘ-র্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের নেতাদের অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে এ সংঘ-র্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ছাত্রদলের একটি কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মীকে অন্তর্ভুক্তির বিষয় নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে এ ঘটনা দফায় দফায় সংঘ-র্ষে রূপ নেয়।

ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দায়ী করছে। এ ঘটনায় প্রথম দফার সংঘ-র্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল জনি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকারের অনুসারী রাব্বি, যিনি পূর্বে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সাংবাদিকদের পিটানোর অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন, রাব্বিসহ আরও কয়েকজন সদস্যসচিব মামুন সরকারের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হা-মলা চালায়।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর বুধবার সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে সেই তিন বছরের জন্য বহিষ্কৃত ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী রিজওয়ানুল করিম রাব্বি হা-মলার শিকার হন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তবে ঘটনার বিষয়ে ছাত্রদল শাখার আহ্বায়ক হাবিব বলেন, আসলে বিষয়টা ওরকম না। কোনো দুপক্ষ ছিল না, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছিল। সিনিয়র-জুনিয়র একটা বিষয় নিয়ে ছোট একটা ইস্যু থেকে একটু বড় রূপ নেয়। আমি এবং সদস্যসচিব দু’জন উপস্থিত থেকে সিনিয়র-জুনিয়র যারা ছিল, তাদেরকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রদলে ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টরা সুযোগ পাচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়টি আমাদের তদন্তসাপেক্ষ রয়েছে। তদন্ত করার পর আমরা বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখব। আর যদি এরকম কোনো সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই সেটা সাংগঠনিকভাবেই বিবেচনা করা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকার বলেন, ঘটনাটি মূলত জুনিয়র ও সিনিয়রদের মধ্যে সৃষ্ট একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। পরবর্তীতে বিষয়টিকে বড় আকার দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসে বিষয়টির সমাধান হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা ঝামেলার খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছি। পরে প্রশাসন আর ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যস্থতায় ঝামেলার সমাধান করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

বিজ্ঞাপন

সিয়ামুল ইসলাম ইমন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
০১৫৭০২৪৫২১৮

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ