তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

লামা সরকারি মাতামুহুরী কলেজে এইচএসসির ফলাফলে মিশ্র চিত্র, পাসের হার সামান্য বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫

Desk Editor 1 hour আগে | ০৭:০৫ PM

লামা সরকারি মাতামুহুরী কলেজে এইচএসসির ফলাফলে মিশ্র চিত্র, পাসের হার সামান্য বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫

 

নজরুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

 

বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলার একমাত্র সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার সামান্য বাড়লেও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এতে কলেজটির সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষাসংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সরকারি মাতামুহুরী কলেজ থেকে মোট ৭৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৭৮ জন। সে হিসাবে এ বছর কলেজটির পাসের হার ৩৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫ জন শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজটি থেকে ৮০৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছিল ২৯৪ জন। ওই বছর পাসের হার ছিল ৩৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৯ জন শিক্ষার্থী।

 

দুই বছরের ফলাফল তুলনা করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫৩ জন। একই সময়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১৬ জন। তবে পাসের হার ৩৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৬ দশমিক ৮২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ পাসের হার বেড়েছে ০ দশমিক ৪৩ শতাংশ পয়েন্ট।

বিজ্ঞাপন

 

তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ থেকে কমে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কমেছে ১৪টি, যা প্রায় ৭৪ শতাংশ হ্রাস।

 

বিজ্ঞাপন

এদিকে, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ভৌগোলিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ, শিক্ষকস্বল্পতা এবং মানসম্মত শিক্ষা উপকরণের সীমাবদ্ধতাকে ফলাফলের পেছনে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের কেউ কেউ। তবে এসব কারণের প্রকৃত প্রভাব জানতে কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে আরও পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কলেজ কর্তৃপক্ষ ফলাফলের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে পাঠদানের মানোন্নয়ন, নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষার্থীদের নিবিড় তদারকি এবং বিভাগভিত্তিক শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখতে চান তারা।

বিজ্ঞাপন

 

উল্লেখ্য, পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম ও সময়সীমা অনুযায়ী উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ