তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা গানে কন্টেন্ট করে ভাইরাল হয়ে যায় টেকনাফের ছেলে ইসমাইল আহমেদ

Md. Jasim Chittagong 22 hours আগে | ০৬:৩০ PM

রোহিঙ্গা গানে কন্টেন্ট করে ভাইরাল হয়ে যায় টেকনাফের ছেলে ইসমাইল আহমেদ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মোঃ জসিম

সেই শৈশব কাল থেকে বেড়ে ওঠা জন্মস্থান টেকনাফ, নাম ইসমাইল আহমেদ, খুব দরিদ্র ফ্যামিলি । আমি ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্ট করেছি, ফ্যামিলি দরিদ্র হওয়ার কারণেই আমি ছোটবেলা থেকে অনেক কষ্ট করেছি, আমি লেবারই করেছি, আমি দিনমজুরি করেছি, আমি অনেক ছোট ছোট কাজও করেছি, হ্যাঁ আর আমি পড়ালেখা আমার খুবই কম, আমার ফ্যামিলি গরিব হওয়ার কারণে আমার বেশিদূর পড়ালেখা করা সম্ভব হয়নি। অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে ,পড়ালেখা সম্ভব হয়নি আলহামদুলিল্লাহ পড়ার চেষ্টা করেছি, অষ্টম শ্রেণীতে উঠে দুই এক মাস স্কুলে গিয়ে পরে আর যাওয়ার সামর্থ্যটা আমার হয়নি। তো আমি স্কুল থেকে নেমে যাওয়ার পরে আমি একটা নৌকার মাঝির চাকরি নেই টেকনাফ বিজিবি ক্যাম্পের, নৌকার মাঝি হিসেবে আমি ছয় বছর চাকরি করেছি বিজিবিদের সাথে। ওখানে সবাই আমাকে বিজিবিরা সবাই আমাকে অনেক ভালোবাসতো, ছোট ভাইয়ের শোখে দেখত। তো পরে ওখান থেকে ছয় বছর চাকরির পরে আমি ঢাকায়, আমি আমার একটা ভাইয়ের কাছে চলে যাই। তো ওখানে ভাইয়া আমাকে নিয়ে যায় যে, ইসমাইল তুমি তো খুব সুন্দর গান গাও? হ্যাঁ, তুমি ছোটবেলা থেকে অনেক সুন্দর গান গাও, তুমি আমার এখানে আসো, তুমি থাকো, তুমি কিছু ইন্সট্রুমেন্ট শিখো যেমন গিটার বাজানো, কিবোর্ড বাজানো, এগুলো তুমি একটু শিখো, আর আমার বাসায় থাকো। ওই ভাইয়া আমাকে নিজের আপন ভাইয়ের মতো, নিজের সন্তানের মতো করে ওখানে আমাকে রাখে, আমার যা যা প্রয়োজন ওই ভাইটা আমাকে দিত, আমাকে যা যা শেখানো শিখাইত, যা যা রাস্তা দেখানো ভাইয়া আমারে দেখাইত, এক কথাই উনি আমাকে উনার সন্তানের মতোই দেখত। তো পরে একদিন ঈদে আমি ঢাকা থেকে আমার বাসায় বেড়াতে আসি, তো বেড়াতে আসার পরে দেখি যে এখানে অনেক মানুষ রোহিঙ্গা গানগুলো শুনতেছে, যেহেতু এই অঞ্চলের মানুষ চট্টগ্রাম ভাষায় কথা বলে, রোহিঙ্গা ভাষাও প্রায় নাইন-টি পার্সেন্ট চট্টগ্রাম ভাষার মতো। তো সবাই রোহিঙ্গা গান শুনতেছে, একটা গান আমার খুব ভালো লেগে যায়। একটা গান আমার খুব ভালো লাগে ,গানের নামটা হচ্ছে মনোত খুশিলার, ওইটা গানটা গাওয়ার পরে আমি আপলোড করি আমার টিকটক আইডিতে। টিকটক আইডিতে আপলোড করার পরে দেখি যে ওই গানটা চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে অনেক সাড়া ফেলে যায় আমাদের এই অঞ্চলে, অনেক মানুষ আমাকে ভালোবাসা দিচ্ছে, রোহিঙ্গা মানুষও আমাকে অনেক ভালোবাসা দিচ্ছে, ইভেন আমাদের চট্টগ্রামের মানুষও যেহেতু এই ভাষা বুঝে, তো এই মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসা দিচ্ছে। তো সেখান থেকে আমার পরিচিতটা হয়ে উঠে,তবে বর্তমানে কবিতা এবং আবৃত্তি বই পড়ছি এবং ইংরেজিতে কথা বলার জন্য কোর্স কমপ্লিট করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ