তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

আশুলিয়ায় মা-দক ব্যাবসা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় বাসায় হা-মলা ও ভাঙচুর

Desk Editor ৯ দিন আগে | ০৮:১৩ PM

আশুলিয়ায় মা-দক ব্যাবসা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় বাসায় হা-মলা ও ভাঙচুর

 

মোঃরফিকুল ইসলাম জিলু
সাভার ঢাকা

 

বিজ্ঞাপন

 

আশুলিয়ায় মা-দকদ্রব্য সেবন ও কেনাবেচা এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় এক ব্যক্তির বাসায় হা-মলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় হাবীব, শাহীন, রাকিব ও ইব্রাহীম ওরফে ইবরুর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক।

বিজ্ঞাপন

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আশুলিয়ার বেরণ তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর ওই রাতেই থানায় অভিযোগ দেন রফিকুল ইসলাম।

অভিযোগে রফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁর বাসার পাশের একটি বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকা মো. রাকিব ও মো. ইব্রাহীম ওরফে ইবরু প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে মা-দকদ্রব্য সেবন ও কেনাবেচাসহ অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা তাঁদের একাধিকবার নিষেধ করেন। তবে এতে তাঁরা কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জন লোহার রড, পাইপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর বাসায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা বাসার জানালার কাচ ভাঙচুর করেন এবং দরজা ও জানালায় আঘাত করে ক্ষতিসাধন করেন। তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

রফিকুল ইসলাম বলেন,মা-দকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। ভবিষ্যতে তাঁরা আমার বা পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছি।

তবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত হাবীব। তিনি বলেন,ইবরুকে মা-রধর করায় আমিসহ কয়েকজন সেখানে গিয়েছিলাম। আমি একটু গালাগালি করেছি। তবে ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমিনুর ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এলাকায় মা-দক সেবন ও কেনাবেচার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের জেরে যাতে কোনো পক্ষ সংঘাতে না জড়ায়, সে বিষয়েও পুলিশের নজরদারি প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ