কাস্টমস কর্মকর্তা হত-্যা ময়মনসিংহে ১০ দিন পর পুকুর থেকে খণ্ড-বিখণ্ড ল-াশ উদ্ধার।
মোঃ বাবুল মিয়া ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় বাংলাদেশ কাস্টমসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা রায়হান তালুকদারকে পরিকল্পিতভাবে হত-্যার পর খণ্ড-বিখণ্ড ল-াশ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজের ১০ দিন পর আজ বিকেলে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তাঁর মর-দেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও নি-হতের স্বজনরা জানান, গত ২৪ জুলাই কাস্টমসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা রায়হান তালুকদার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করেও তাঁর কোনো হদিস পাননি।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর এলাকায় নি-হতের বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুরে প্লাস্টিকের ব্যাগ ও বস্তা ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। বস্তুগুলো থেকে দুর্গন্ধ বের হলে তারা ফুলবাড়ীয়া থানা-পুলিশে খবর দেন।
সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে বস্তা ও ব্যাগটি পাড়ে তুলে আনে। পরবর্তীতে তল্ল-াশি চালিয়ে ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় রায়হান তালুকদারের মর-দেহের খণ্ডাংশ।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, নিখোঁজের পর ঘাতকেরা তাঁকে সুপরিকল্পিতভাবে হত-্যা করে। পরবর্তীতে হত-্যাকাণ্ডের আলামত নষ্ট ও পরিচয় গোপন করতেই ল-াশ টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে গ-ুম করার চেষ্টা চালানো হয়।
আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মর-দেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নির্মম এই হত-্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচন ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে।
দীর্ঘ ১০ দিন পর কাস্টমস কর্মকর্তার এই নৃ-শংস পরিণতির সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নি-হতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।