তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না।

Desk Editor ২৭ দিন আগে | ০৭:৩৩ PM

পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না।

 

সিলেট মহানগর ও সংলগ্ন এলাকায় সুশৃঙ্খল নগরায়ণ, পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে নির্দেশনা জারি করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।

 

বিজ্ঞাপন

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে- কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না।

 

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়- নির্ধারিত আইন ও বিধিমালার আলোকেই এখন থেকে সিলেট মহানগরী এলাকায় সকল প্রকার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

 

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নির্দেশনাগুলো হচ্ছে-

 

বিজ্ঞাপন

১. ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন ও জলাধার খনন বা পুনঃখননের আবেদন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় (২৯/এ (ফরচুন গার্ডেন), বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট) জমা প্রদান করতে হবে।

 

২. ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসরণে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ভূমি জরীপ, মাটি পরীক্ষা, ইমারতের স্থাপত্য/কাঠামো/বৈদ্যুতিক/প্লাম্বিং নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ কাজ সুপারভিশনের নিমিত্ত সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তালিকাভুক্ত কারিগরি ব্যক্তি (স্থপতি/প্রকৌশলী/নকশাকারক) কর্তৃক প্রণীত নকশাযোগে আবেদন দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

 

৩. রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৫ ধারা মোতাবেক উক্ত রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিবন্ধিত হতে হবে।

 

বিজ্ঞাপন

৪. কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না।

 

৫. অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

 

৬. অবৈধ দখল, ভরাট বা পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।

 

বিজ্ঞাপন

৭. প্রয়োজনে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করুন।

 

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়- সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৩-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী—এই আইন কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কাজ সম্পাদন করা হলে তা সম্পূর্ণ ‘অকার্যকর ও অননুমোদিত’ বলে গণ্য হবে।

বিজ্ঞাপন

 

আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নিশ্চিত করা হয়।

 

বিজ্ঞাপন

সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানান, সকলের সহযোগিতায় একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবার জন্য নাগরিকদের নাইওরপুলস্থ সিউক কার্যালয়ে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ