তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

হত-্যা চেষ্টার অভিযোগে আম্মারসহ রাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা

Nayem Hasan Nirob Sirajganj 10 minutes আগে | ১১:৪৯ PM

হত-্যা চেষ্টার অভিযোগে আম্মারসহ রাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা

 

মিনার আলম আকাশ, রাজশাহী :

 

বিজ্ঞাপন

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হা-মলা করে মা-রধরের অভিযোগে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

বিচারক মো. আশিকুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছে। বুধবার রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা আসাদ উজ্জামান।

বিজ্ঞাপন

মামলার অপর আসামীরা হলেন, রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, জিয়া হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান ও নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদকে আসামি করা হয়েছে।

আদালত পরিদর্শক আব্দুর রফিক জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় হত-্যা চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হজরত আলী জানান, মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় আরও ১৮ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আসাদ উজ্জামান অভিযোগ করেন, খবরটি তিনি ঘটনার দিন বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফেইসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান। পরে ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা নেননি। তাই আদালতে অভিযোগ করেছেন।

*অভিযোগে যা বলা হয়েছে*

অভিযোগে বলা হয়, ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতর ও বাইরে ছুরি, রড, বেলচা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে একদল ব্যক্তি মাহিনকে ঘিরে ধরে মা-রধর শুরু করেন। সেখানে সালাউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে তার মাথা ও কপালে আঘাত করেন। আর সালমান সাব্বিরও রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তা বাম চোখে লাগে এবং গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া অন্য আসামিরা বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। চার আসামি তাকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এতে বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন মাহিনকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করলে আসামিরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে পুনরায় মা-রধর করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার দিন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে তিন শিক্ষার্থী হা-মলা ও মা-রধরের শিকার হন। তারা হলেন- ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আনাস আহমেদ আকাশ (২৮), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবুল হাসান (২২) এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহমুদুল হাসান মাহিন (২৪)। এর মধ্যে আনাস ও আবুল হাসানকে আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ