জেলা প্রতিনিধি,পঞ্চগড়:
পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারু গ্রামে লিজকৃত ১৫ বিঘা চা বাগানের জমি ও লভ্যাংশসহ প্রায় ১১ লাখ টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদের নামে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) বিকেলে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারু গ্রামে মাহবুবের নিজ বাড়িতে সংবাদ কর্মীদের লিখিত বক্তব্যে জানান মাহবুব।
এসময় মাহহবুরের মা, বড় ভাইসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে মাহবুব জানান, সদর উপজেলার চাকলা হাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারু গ্রামে চা বাগান করার উদ্দেশ্যে ১৪ বছর ৬ মাসের জন্য ১৫ বিঘা জমি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ইজারা নেওয়া হয়। গত ১ লা মে ২০১৮ ইং সালে ইজারা চুক্তিতে মাহবুবসহ সদর উপজেলার টুনিরহাট এলাকার মৃত আজিম উদ্দীনের দুই ছেলে আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদের অংশীদার হিসেবে ছিলেন।
জমির চুক্তির রয়েছে ২০৩২ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।
মাহবুব জানান, ২০২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদের তাকে জানান, তারা আর তাকে চা বাগানের অংশীদার হিসেবে রাখতে চান না। এর কারণ জানতে চাইলে তাকে আব্দুস সামাদ হেযবুত তাওহীদে যোগ দেওয়ার কথা বলে।
অন্যথায় চা বাগান ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এবং আসামীদ্বয় আমাকে চা বাগানে মেরে ফেলে ল-াশ মাটিতে পুতে রাখবে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে মাহবুব একাধিকবার আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা তার কথায় কোনো কর্ণপাত করেননি।
উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মাহবুবের দাবি, চা বাগান থেকে প্রাপ্য লভ্যাংশসহ তার প্রায় ১১ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা ওই টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছেন।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে মাহবুব গত ৭ আগষ্ট ২০২৬ পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তবে অভিযোগ দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা পাননি বলে জানান মাহবুব।
মাহবুব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তার পাওনা টাকা ফেরতসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয় অভিযুক্ত আব্দুস সামাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।