তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

ছাতকে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের বড় মায়েরকুল গ্রামে দু’পক্ষের সং/ঘ/র্ষে আহত-৬ জন

Desk Editor ২৮ দিন আগে | ১১:২৮ PM

ছাতকে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের বড় মায়েরকুল গ্রামে দু’পক্ষের সংঘ-র্ষে আহত-৬ জন

 

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ

ছাতক উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের বড় মায়েরকুল গ্রামে ভূমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘ-র্ষে নারীসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গ্রামের উভয় পক্ষের বসতবাড়ির আঙিনায় এ সংঘ-র্ষের ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় মায়েরকোল গ্রামের মৃত নুর হকের ছেলে হাফিজ আব্দুল আজিজের পরিবারের সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বিরের পরিবারের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে ভূমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।

বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে স্থানীয় মুরব্বিদের মধ্যস্থতায় কয়েক বার বৈঠক হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। বৈঠকে বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন বাড়ির আঙিনায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘ-র্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে নারী সহ উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বিরের ছেলে জাকারিয়া (২২), ভাতিজা সাইফুর রহমান (২১), অপর পক্ষের গুরুতর আহত ইব্রাহিম আলী (২৫) ও তার পরিবারের তিন নারী রয়েছেন।

আহত ৬ জনকেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

 

সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বিরের ভাই মোশাহিদ আলী বলেন, স্থানীয় মুরব্বিদের মাধ্যমে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে। বিরোধপূর্ণ ভূমির বিষয়ে আব্দুল মছব্বিরের কাছ থেকে খরচমূল্য পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার কথা রয়েছে।

মুরব্বিদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকার সময় হাফিজ আব্দুল আজিজের পক্ষের লোকজন জমিতে চাষ করেন বলে তারা দাবি করেন। এতে বাঁধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘ-র্ষের ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে হাফিজ আব্দুল আজিজ বলেন, তারা বিরোধপূর্ণ জমিতে হালচাষ করেননি। নিজেদের মালিকানাধীন জমিতে হালচাষ করতে গেলে অপর পক্ষ বাধা দেয় এবং একপর্যায়ে সংঘ-র্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এতে তাদের পরিবারের তিন নারীসহ চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

বিজ্ঞাপন

আহত ইব্রাহিম আলী বলেন, সংঘ-র্ষের সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। সংঘ-র্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে থামানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় শা-লিসি করা অবস্থায় তার ওপর হা-মলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এর আগেও তার ওপর আরও দুইবার হা-মলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সংঘ-র্ষ থামাতে তারা একাধিকবার চেষ্টা করেছেন। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে তাদের কয়েকজনও আহত হয়েছেন। উভয় পক্ষ কে থামানোর চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি বলে তারা জানান।

ঘটনার পর রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উভয় পক্ষের আহতদের দেখতে ওসমানী হাসপাতালে যান দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শামীম আলম নোমান, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি সদস্য মুহিবুর রহমান মুহিব, যুবদল নেতা আল আমিন, মিজানুর রহমান মকবুল, আশরাফ আলী ও কফিল উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘ-র্ষের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে এ ঘটনায় আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।##

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ