তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

নানা অজুহাতে গাছ কাটার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

Desk Editor ১৭ দিন আগে | ১০:৫২ PM

মনোহরদীর খিদিরপুরে নানা অজুহাতে গাছ কাটার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নানা অজুহাতে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা-সংক্রান্ত জটিলতা, জমির সীমানা নির্ধারণ ও বিরোধ নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে এসব গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। পরে কেটে ফেলা গাছের অনেকগুলো বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, খিদিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মানিক মাস্টারের প্রভাব ও তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন স্থানে গাছ কাটার ঘটনা ঘটছে। তার নির্দেশে বা সংশ্লিষ্টতায় একটি দল এসব গাছ কাটছে বলেও অভিযোগ করেন কয়েকজন এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আশিকুর রহমান মানিক মাস্টারের বক্তব্য প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় [স্থান/গ্রামের নাম] এলাকায় [সংখ্যা]টি, [স্থান] এলাকায় [সংখ্যা]টি এবং [স্থান] এলাকায় [সংখ্যা]টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসবের মধ্যে ফলজ ও বনজ—উভয় ধরনের গাছ রয়েছে।

গাছের মালিক/ভুক্তভোগী [নাম] অভিযোগ করে বলেন, ❝[এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য যুক্ত হবে]।
অপর এক ভুক্তভোগী [নাম] বলেন, ❝[বক্তব্য যুক্ত হবে]। তিনি জানান, তার জমি/রাস্তা/সীমানা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে [সংক্ষিপ্ত তথ্য] এবং এ সময় [সংখ্যা]টি গাছ কেটে ফেলা হয় বলে তার অভিযোগ।
এলাকাবাসীর কয়েকজন জানান, কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাস্তার পাশে থাকা গাছ অপসারণের কথা বলে একসঙ্গে একাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আবার জমির সীমানা বা বিরোধের বিষয়কে কেন্দ্র করেও গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, এভাবে গাছ কাটার ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে গাছ কাটার বিষয়ে একটি অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে খিদিরপুর কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কলেজ প্রাঙ্গণের কয়েকটি বড় গাছ কেটে বা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তাদের দাবি, কলেজের [সংখ্যা]টি বড় গাছ [সময়/তারিখ] সময়ে কাটা/বিক্রি করা হয়েছে। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং গাছ বিক্রির অর্থের হিসাবও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা [নাম] বলেন, ❝[এলাকাবাসীর বক্তব্য যুক্ত হবে]।

তবে গাছ কাটার এসব অভিযোগের বিষয়ে আশিকুর রহমান মানিক মাস্টারের বক্তব্য জানতে [তার সঙ্গে যোগাযোগের পদ্ধতি/সময়] যোগাযোগ করা হলে তিনি [বক্তব্য/অভিযোগ অস্বীকার/ব্যাখ্যা] দেন। তার বক্তব্য: ❝[সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্ণ বক্তব্য এখানে যুক্ত হবে]।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, বন বিভাগ বা প্রশাসনের কোনো অনুমোদন ছিল কি না এবং সরকারি/প্রাতিষ্ঠানিক জায়গার গাছ কাটার ক্ষেত্রে নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি, গাছ কাটার ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা এবং অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি ইউনিয়নের পরিবেশ রক্ষায় নতুন করে বৃক্ষরোপণ ও কাটা গাছের হিসাব সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ