তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

‘আমাদের মেরে ফেললেও লড়াই বন্ধের সুযোগ নেই’: কুবিতে জাবের

Desk Editor 1 hour আগে | ১০:২০ PM

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) তিন দফা দাবি সম্বলিত ইনকিলাব মঞ্চে’র ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে শরীফ ওসমান হাদীর পাশাপাশি শাকিল হত-্যার বিচারও দাবি করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটো থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে শহিদ মিনারে গিয়ে মিছিলটির সমাপ্তি ঘটে।

বিজ্ঞাপন

কর্মসূচির শুরুতে অনুষ্ঠিত র‍্যালিতে ‘বাংলাদেশের আজাদি, উসমান হাদী’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘হু ইজ হাদি, হাদি ইজ বাংলাদেশ’, ‘আমার ভাই কবরে, খ-ুনি কেন ভারতে’, ‘কে বলেরে হাদি নাই, হাদি সারা বাংলায়’, ‘বাংলাদেশের পতাকায়, হাদিকে দেখা যায়, ইত্যাদি স্লোগান দেয় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

উক্ত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মশিউর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীবৃন্দ। এসময় শহিদ উসমান হাদির হত-্যার এবং শাকিল হত-্যার বিচার চেয়ে স্লোগান দেওয়া হয়।

এসময় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘শহিদ ওসমান হাদি যে লড়াইটা আমাদের ভেতরে জাগিয়ে দিয়ে গেছেন, আমাদের সবাইকেও যদি মেরে ফেলা হয়, এখন আর সেই লড়াই বন্ধ করার কোনো সুযোগ নাই। আমাদের দেশে বিপ্লব হয়, গণ-অভ্যুত্থান হয়, এরপরে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী রাজনৈতিক নেতা তৈরি হয়। যাদের মধ্যে দিয়ে আজাদি আসে, যাদের মধ্যে দিয়ে বিপ্লব সংগঠিত হয় তাদেরকেই মুছে ফেলবার একটা চেষ্টা করা হয় এবং তাদেরকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে দিয়ে তারা মূলত বিপ্লবটাকেই হত-্যা করে ফেলে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, গত ঈদের পর থেকেই জুলাই ফাউন্ডেশনের জন্য সরকারের জায়গা থেকে আর কোনো বাজেট পায় না। সরকারের কাছে ঢাকা থেকে কুমিল্লা রেললাইন করবার জন্য ৮৬ হাজার কোটি টাকা আছে। কিন্তু জুলাইকে বাঁচাইয়া রাখার জন্য সরকারের কাছে একটা টাকাও নাই। কারণ জুলাইরে বাঁচাইয়া রাখলে, টেন্ডারবাজি করা যাবে না, চাঁদাবাজি করা যাবে না।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই, বেগম জিয়া যেভাবে বাংলাদেশের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জীবন দিয়েছেন, আমরা তারেক রহমানকে তেমন চিন্তা করেছিলাম, যে উনিও এইভাবে এসে বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাষ্ট্র ক্ষমতার হাল ধরবেন। কিন্তু তার সার্বিক পরিস্থিতি থেকে মনে হচ্ছে, যে উনি বাংলাদেশের, এই মানুষগুলোকে গত সতেরো বছর লন্ডনে থাকবার কারণে চিনতে পারছেন না।’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ