তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

এসআরবি-৯ এর অভিযানে সিলেটের ওসমানীনগরে ‘আতিক মিয়া’ হ/ত্যার ঘটনায় ০১ জন আসামি গ্রেফতার।

Desk Editor ১৮ দিন আগে | ০৭:২৯ PM

এসআরবি-৯ এর অভিযানে সিলেটের ওসমানীনগরে ‘আতিক মিয়া’ হ/ত্যার ঘটনায় ০১ জন আসামি গ্রেফতার।

‎

‎ডেস্ক রিপোর্ট:

‎

‎

বিজ্ঞাপন

‎১। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ দমন, সংঘবদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ, মা-দকদ্রব্য ও অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার, হত-্যা, ধর-্ষণ, অপ-হরণ, মানবপা-চার ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং অপরাধ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

‎

‎

বিজ্ঞাপন

‎

‎২। ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম আতিক মিয়া সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন ০৪নং বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার এবং এলাকার একজন সালিশ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ০১নং বিবাদী সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাবের সাথে তার আপন ভাই সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসত ভিটার জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে এবং তৎসংক্রান্ত একাধিক মামলা চলছে। এই মামলার জের ধরে বিবাদীগণ ৩১/১২/২০২৫ ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৪.০০ ঘটিকায় মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসতঘরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর ও ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীতে সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়া উক্ত ঘটনার সালিশ বিচারের জন্য ভিকটিম আতিক মিয়ার কাছে গেলে ভিকটিম বিষয়টি মীমাংসার জন্য ০২নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির উঠানে একটি সালিশি বৈঠক আয়োজন করেন। উক্ত সালিশি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মতে ভিকটিম বিবাদীগণকে অপরাধজনক কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন, অন্যথায় বিবাদীগণকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে মর্মে সতর্ক করে বৈঠক শেষে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিরাজনগর চলে যান। ঐ দিনই বিকাল ১৭.০০ ঘটিকায় ভিকটিম নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ০২নং বিবাদী আতর মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই বিবাদীগণ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে ভিকটিমকে চারদিক থেকে ঘিরে দা ও কাঠের বর্গা দিয়ে ভিকটিমের কপালে, মাথার মধ্যখানে, মাথার বামপাশে এবং বুকের বাম পাশে সজোরে কোপ মেরে মারাত্মক রক-্তাক্ত কাটা জখম করে। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন ভিকটিমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ভাই সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানায় একটি হত-্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

‎

বিজ্ঞাপন

‎

‎

‎৩। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯, সিপিসি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ০১.৫৫ ঘটিকায় সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানাধীন অলংকারী ইউনিয়নের টোকের কান্দি গ্রামস্থ একটি বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানার মামলা নং-০১, তারিখ-০৩/০১/২০২৬ খ্রি., ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/১১৪/৫০৬(২)/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে সিলেটের ওসমানীনগরে ‘আতিক মিয়া’ হত-্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৪নং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি- মামুন মিয়া (৩৭), পিতা- আতর আলী, সাং- পশ্চিম সিরাজনগর, থানা- ওসমানীনগর, জেলা- সিলেট।

বিজ্ঞাপন

‎

‎

‎

বিজ্ঞাপন

‎উল্লেখ্য যে, গত ১০/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ উক্ত মামলার এজাহারনামীয় ০২ জন পলাতক আসামিকে র‍্যাব-৯ (বর্তমান এসআরবি-৯) কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

‎

‎

বিজ্ঞাপন

‎

‎৪। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এসআরবি-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ