ছাত্র বলা-ৎকারের অভিযোগে ৯৯৯-এ ফোনকলে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার
০২ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন মুসলিম নগর থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান তাদের এলাকার তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ১৭ বছরের এক ছাত্রকে বলা-ৎকার করার কারণে এলাকার লোকজন মা-রধর করে শিক্ষককে আটকে রেখেছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। কলার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়। ৯৯৯ থেকে তাৎক্ষনিকভাবে ফতুল্লা থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হয়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল আল আমিন এবং বিষয়টি কলার সংশ্লিষ্ট থানার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপা-চার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য্য।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, হাফেজি পাশ করা মাদ্রাসা ছাত্র আহাদ (১৭) ভালভাবে কোরান মুখস্ত করার জন্য এক বছর আগে উল্লেখিত মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। গত এক বছর যাবত অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে ভুক্তভোগী ছাত্রকে বলা-ৎকার করে আসছিল। সর্বশেষ গত ৩১ আগষ্ট তারিখ রাতে অভিযুক্ত শিক্ষক ভুক্তভোগীকে বলা-ৎকার করলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন ছাত্রের মা সংবাদ পেয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য বাসায় আনার পর এসব বিষয়ে জানতে পারেন এবং এলাকার লোকজন নিয়ে মাদ্রাসা ঘেরাও করলে অভিযুক্ত বলা-ৎকারের অভিযোগ স্বীকার করেন।
সংবাদপ্রাপ্ত হয়ে ফতুল্লা থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনগণের সহায়তায় অভিযুক্ত মো: রফিকুল ইসলাম (২৮), পিতা মৃত- আব্দুল মান্নান , গ্রাম:বরুনদা, থানা: টঙ্গীবাড়ী, জেলা: মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান: মুসলিম নগর তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসা, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ সংক্রান্তে ভুক্তভোগীর মাতা বাদী হয়ে একটি মামলা রুজু করেছেন।