ডুমরা গ্রাম হইতে মুক্তার পুর ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার করালেন শাল্লা উপজেলার কৃষকদলের সাবেক সভাপতি বাবুল চন্দ্র দাস।
(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মোঃ দিলোয়ার হোসেন
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের ডুমরা গ্রাম থেকে মুক্তারপুর ব্রিজ পর্যন্ত সংযোগকারী চলাচলের অনুপযোগী রাস্তাটি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে সংস্কার করিয়েছেন কৃষকদলের শাল্লা উপজেলার সাবেক সভাপতি ও জেলা কৃষকদলের বর্তমান সদস্য বাবুল চন্দ্র দাস।
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার—দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়ে বেহাল দশার রূপ নিয়েছিল। ফলে কার্তিক পুর গ্রাম, সাত পাড়া বাজার , ও রৌওয়া গ্রাম, রূপসা গ্রাম, মেগনেপাড়া, হরিপুর, নাইন্দা, কল্লি, মুক্তারপুর, মন্নানপুর ও মির্জাপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে যাতায়াতের সময় চরম ভোগান্তির শিকার হতেন।

প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং ছোটোখাটো যানবাহন এই ভাঙা অংশ দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করত। বিশেষ করে আশপাশের গ্রামের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই পথ দিয়ে শাল্লার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও সদর বাজারে যাতায়াত করে থাকে।
সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন ডুমরা গ্রামের কৃতিসন্তান বাবুল চন্দ্র দাস। তিনি সম্পূর্ণ নিজ খরচে শ্রমিক নিয়োগ করে সড়কের ভাঙা অংশ মেরামত, খানাখন্দ ও গর্তগুলো ভরাট করাসহ জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেন।
কোনো ধরনের জনপ্রতিনিধি বা দাপ্তরিক পদ-পদবি ছাড়াই একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তাঁর এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে এলাকাবাসী ও পথচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা তাঁর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন। বর্তমানে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এই রুটে সাধারণ মানুষ ও ছোটোখাটো যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছে।
এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলার কৃষকদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা কৃষকদলের বর্তমান সদস্য বাবুল চন্দ্র দাস সাংবাদিককে বলেন, “এখন ডুমরা হইতে মুক্তারপুর ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা। এই রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতে অসুবিধা হয়। তাই আমার নিজ উদ্যোগে আমি এগুলো এখন মেরামত করে দিচ্ছি, যেন জনগণ শান্তিমতো যাতায়াত করতে পারে। রাস্তার মাঝে অনেকগুলো ভাঙা অংশ ও গর্ত ছিল, সেগুলো আমি নিজের উদ্যোগে ও নিজের অর্থায়নে সংস্কার করে দিচ্ছি।”