তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

১১ বছরের শি-শুর নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ মিল।

Desk Editor ১৭ দিন আগে | ১০:৪৬ AM

১১ বছরের শি-শুর নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ মিল।

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

 

 

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শি-শুকে ধর-্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নতুন মোড় এসেছে। নবজাতকের সঙ্গে মামলার অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ মিলেছে বলে সিআইডির পরীক্ষার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

 

 

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর-্ষণের শিকার ১১ বছর বয়সী এক শি-শুর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাশি-শুর জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

 

 

বিজ্ঞাপন

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডির করা ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ প্রোফাইলের মিল পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ মিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

বিজ্ঞাপন

মামলার নথি ও পুলিশের বরাতে জানা যায়, শি-শুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। পরে অসুস্থতা ও শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে গত ১৮ এপ্রিল তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক শি-শুটিকে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান।

 

 

বিজ্ঞাপন

এরপর ২৩ এপ্রিল শি-শুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর-্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। ৬ মে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়।

 

 

বিজ্ঞাপন

নবজাতকের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্যও আদালতের অনুমতি নেওয়া হয়। পরে সিআইডি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করে। সেই প্রতিবেদনে নবজাতক ও অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএ প্রোফাইলে মিল পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

 

 

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। দ্রুত মামলাটির বিচার শেষ করার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

 

 

বিজ্ঞাপন

তবে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে দোষী হিসেবে উল্লেখ না করে ‘মামলার অভিযুক্ত’ বা ‘অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক’ হিসেবে উল্লেখ করাই আইনগতভাবে যথাযথ।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ