মোঃ বাবুল মিয়া ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় টানা ছয় দিন নিখোঁজ থাকার পর সোহেল মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মাটিচাপা দেওয়া দ্বিখণ্-ডিত মর-দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নৃ-শংস এই হত-্যাকাণ্ডের ঘটনায় সমগ্র পরানগঞ্জ এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নি-হত সোহেল মিয়া সদর উপজেলার ৪ নম্বর পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীর কান্দাপাড়া এলাকার নূরুল ইসলাম ওরফে নূরউদ্দিনের ছেলে।রহস্যজনক নিখোঁজ ও জিডি পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ তারিখ রাতে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি সোহেল। পরদিন থেকে সম্ভাব্য সকল স্থানে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে বুধবার সকালে নি-হতের বাবা নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।কলেজ মাঠের পাশে খণ্-ডিত মর-দেহ জিডি দায়েরের পরপরই বুধবার সকালে পরানগঞ্জ ইউনিয়নের অম্বিকাগঞ্জ কলেজ মাঠের পূর্ব পাশে এক যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করেন।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্ল-াশি শুরু করে। একপর্যায়ে বিচ্ছিন্ন মাথার অদূরেই মাটিচাপা অবস্থায় সোহেলের মাথাবিহীন শরীরের খণ্-ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও প্রশাসনের পদক্ষেপ নৃ-শংস এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানায়, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপরাধের আলামত সংগ্রহ করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মর-দেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক আলামত দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত-্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এই হত-্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। দ্রুতই অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।