র্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের ওসমানীনগর থেকে দেশীয় তৈরি ০১টি বন্দুক, ০১টি পাইপগান ও ১০টি শটগানের কার্তুজ উদ্ধার
১। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃ-শংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মা-দক উদ্ধার, হত-্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ-্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীদেরসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
গত ০৫ আগস্ট ২০২৪খ্রি. তারিখের পর থেকে অদ্যাবধি র্যাব-৯, সিলেট বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকা থেকে সর্বমোট ৫১টি দেশী ও বিদেশী আগ্নেয়-াস্ত্র, ১১৪ রাউন্ড গুলি, ০৬টি ম্যাগাজিন, ৩৭০৯ গ্রাম বিস্ফোরক, ২৩৫টি ডেটোনেটর, ০৪টি সাউন্ড গ্রেনেড, ০৫টি পেট্রোল বো-মা, ১১টি ককটেল এবং বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটসহ ১৫৫টি এয়ারগান উদ্ধার করেছে যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে এবং সিলেট বিভাগীয় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
২। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সদর কোম্পানি, সিলেটের একটি অভিযানিক দল সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানা এলাকায় অবস্থানকালে গত ১৪/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ২২.০৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানাধীন উমরপুর ইউনিয়নের সিকন্দরপুর পশ্চিম গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত প্রাচীরের ভেতরে অস্ত্র পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে অভিযানিক দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আশপাশে ব্যাপক তল্ল-াশি চালিয়ে সীমান্ত প্রাচীরের ভেতর থেকে দেশীয় তৈরি ০১টি বন্দুক, ০১টি পাইপগান ও ১০টি শটগানের কার্তুজ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, এ ব্যাপারে র্যাব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
৩। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত আলামত জিডি মূলে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।