হিজড়া সেজে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই প্রতারক।
সিলেটের এক ভয়ানক চাদাবাজ, হিজড়া সেজে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই প্রতারক। সিলেটের উঠন্তি যুবকদের হিজড়া সাজিয়ে রাস্তায় করাচ্ছে চাদাবাজি।
বিয়ে বাড়ি,বিয়ের গাড়ি,বিয়ের সেন্টার,বিমানবন্দরের যাত্রীদের গাড়ি আটকে চাদাবাজি,ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে চাদাবাজি সহ নবজাতক শি-শুর জন্মের খবর পেলেই বাসায় হিজড়া সেজে দলবদ্ধভাবে হানা দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্র। আজ থেকে ৫ বছর আগেহ সিলেটে এমন চিত্র কখনো দেখা যায় নি। সিলেটের সাবেক এক জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম সিলেটের হিজড়াবেশী চাদাবাজদের সরকারী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে এদেরকে আরো শক্তিশালী করে তুলেন। এরপর থেকে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে তারা। এদের ব্যাপারে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত চাদাবাজির খবর প্রকাশ হলেও আমাদের সিলেটের সুধীজনরা নীরব। কেউই এই ব্যাপারে কোন মহতি উদ্দ্যাগ নেন নি।
তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার বান্দলাল আফিয়ার কোনা গ্রামে। সে বর্তমানে সিলেটের দক্ষিন সুরমা থানাধীন কাশবন, ইসলাম হোটেলের পিছনে থাকে।
সে কখনো শার্ট প্যান্ট,কখনো পাঞ্জাবী,কখনো শ্যুট পরিধান করে সাধারণ মানুষের মত ঘুরাফেরা করে। যখনই চাদাবাজিতে নামে তখনই শাড়ি পড়ে ও মুখে মাস্ক লাগিয়ে চাদাবাজি পরিচালনা করে। রানা ভুইয়ার স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছে।
এই ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক,এসপি,মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার,সিসিক প্রশাসক, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ সহ সিলেটের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ
সাধারণ জনগণ।