র্যাব-৯ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে সিলেটের শাহপরাণে শব্দদূষণ বিধিমালা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ০৭টি গাড়ির মালিককে ৫,০০০/- টাকা জরিমানা
১। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃ-শংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মা-দক উদ্ধার, হত-্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাই, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, টিকেট কালোবাজারি রোধ ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
২। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি অনুযায়ী মোটরযান ও নৌযানে অনুমোদিত শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী হর্ন স্থাপন ও ব্যবহার না করিবার কথা থাকলেও কতিপয় মোটরযান মালিক তা মানছে না এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর বিধি অনুযায়ী প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বলিয়া ঘোষিত এলাকায় কোন ক্ষতিকর কর্ম বা প্রক্রিয়া চালু না রাখার কথা থাকলেও কতিপয় ব্যক্তি তা মানছে না। উক্ত আইন সমূহ লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কারাদণ্ড, আর্থিক জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। এই অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে র্যাব-৯ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
৩। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেট এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক দল কর্তৃক অদ্য ১৭/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক সময় ১০.০০ হতে ১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত সিলেটের শাহপরাণ (রঃ) থানাধীন মুরাদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ট্রাকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার দায়ে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫ এর ৬(২) ধারা এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ১৫(২) ধারা মোতাবেক ০৭ জন ব্যক্তিকে ৫,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
৪। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানের পাশাপাশি জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।