তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

সিএমপি’র আকবরশাহ থানার অভিযানে চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন।

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিএমপি’র আকবরশাহ থানার অভিযানে চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, ০২ (দুই) জন আসামি গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া প্রায় ১০ (দশ) ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার প্রসঙ্গে*

 

গত ২০/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ বিকাল ০৫:৪৫ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ০৬:৫৫ ঘটিকার মধ্যে আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি, কে-ব্লকে জনৈকা উর্মিলা আক্তার (প্রকাশ উর্মি)-এর বাসায় সংঘটিত একটি চুরির ঘটনায় ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ১টি ব্রেসলেট, ২টি চুড়ি, ৬ জোড়া কানের দুল, ৮টি আংটিসহ সর্বমোট প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৪,০০০ টাকা চুরি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আকবরশাহ থানায় মামলা নং-২৬, তারিখ-২৪/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ধারা-৪৫৪/৩৮০/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।

বিজ্ঞাপন

 

মামলা রুজুর পর সিএমপির সম্মানিত পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আকবরশাহ থানা পুলিশের একাধিক চৌকস আভিযানিক টিম ঘটনাটির রহস্য উদ্ঘাটনে নিবিড় তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে আভিযানিক টিম ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৭/০৭/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখ পাহাড়তলী থানাধীন নেছারিয়া মাদ্রাসা গলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ঘটনায় জড়িত আসামী ১। মাহে আলম প্রঃ শাহ আলম প্রঃ বেলাল(৩০), পিতা-নুরুজ্জামান মাঝি, মাতা-জোলেখা বেগম, সাং-জাহানপুর, মেঝেদ মাঝির বাড়ী/হাশেম মাঝির বাড়ী, থানা-শশীভূষন, জেলা-ভোলা, বর্তমান-কামাল(শ্বশুর), মাঝির বাড়ী/কালু মাঝির বাড়ী, লেজপাতা চর পাতা, থানা-দৌলতখান, জেলা-ভোলা, বর্তমান-১-নেছারিয়া মাদ্রাসা গলি, আফসার সাহেবের বাড়ীর পাশে, লিয়াকতের বাসা, থানা-পাহাড়তলী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২| মোঃ মনির হোসেন(২৮), পিতা-মৃত ˆসয়দ মহাজন, মাতা-সুফিয়া খাতুন, সাং-চর ফকিরা, ০৫নং ওয়ার্ড, ˆসয়দ মহাজন বাড়ী, থানা-চরফ্যাশন, জেলা-ভোলা, বর্তমানে-সরাইপাড়া, মসজিদ সংলগ্ন রাশেদের কলোনী, থানা-পাহাড়তলী, জেলা-চট্টগ্রাম’দ্বয় গ্রেপ্তার করেন। গ্রেফতার পরবর্তী আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। আসামীদ্বয়ের স্বীকারোক্তি মোতাবেক তাদের হেফাজত হতে ও তথ্য এবং সনাক্ত মতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ২টি চুড়ি, ৩ জোড়া কানের দুল এবং ২টি আংটিসহ প্রায় ১০ (দশ) ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকার যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি থাকলে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ যে, আসামী মাহে আলম প্রঃ শাহ আলম প্রঃ বেলাল(৩০) এর বিরুদ্ধে চুরি ও মা-দক আইনে মোট ১২ টি মামলা আছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ