সুনামগঞ্জ কিশোরী ধর-্ষণের একমাত্র আসামি ‘জিবলু মিয়া সিলেট থেকে গ্রেফতার
এরশাদুল হক
জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
ভিকটিম সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন নোয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা। বিবাদী মোঃ জিবলু মিয়া (২২) প্রতিবেশী হওয়ায় বিভিন্ন সময় ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াত করত। ঘটনার দিন গত ১১/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম তার বসতঘরের শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় ভিকটিমের পিতা এবং মাতা পারিবারিক কাজে বাড়ির বাইরে থাকায় তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে বিবাদী ভিকটিমের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তার হাত ও মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর-্ষণ করে। ঘটনার পর বিবাদী বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় ভিকটিমের মা তাকে দেখতে পান। পরবর্তীতে তিনি ভিকটিমের ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পান। ভিকটিম কান্নাকাটি করে তার মাকে ধর-্ষণের বিষয়টি বিস্তারিত জানান। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সদর কোম্পানী, সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ৫.৫৫ ঘটিকার সময় সিলেট জেলার মোগলাবাজার থানাধীন পীর হাবিবুর রহমান চত্ত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার মামলা নং-১০, তারিখ- ১২ এপ্রিল ২০২৬; ধারা- নারী ও শি-শু নির্-যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(১); এর মূলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কিশোরী ধর-্ষণের ঘটনায় এজাহারনামীয় একমাত্র পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি- মোঃ জিবলু মিয়া (২২), পিতা- মোঃ বিল্লাল উদ্দিন, সাং- নোয়াগাঁও, থানা- জগগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ।
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।