হবিগঞ্জের বাহুবলে হালেমার বেপরোয়া আচরণে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-
হবিগঞ্জের বাহুবলে বেপরোয়া নারীর টাকা ও প্রভাবে একেরপর এক একটি নিরীহ পরিবার হয়র-ানি নির্-যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। এমনই অভিযোগের ঘটনা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নির্যাতিত পরিবার। নারীর চক্রে শুধু হয়র-ানি নয়,শি-শুরাও নির্-যাতনের শিকার হয়েছেন। ইতিমধ্যে,পূর্বের হা-মলায় আহত সাহিদ মিয়াকে মা-রধর করার পর সেই ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও সাহিদ মিয়ার উপর হা-মলা চালানো হয়েছে। ওই সময় স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা স্ত্রী জুলেখা ও শি-শু পুত্র সিয়ামকেও মা-রধর করে মজিদ মিয়ার মেয়ে স্বামী পরিত্যক্ত হালেমা ও তার ভাই মাহিবুর রহমান সহ তার লোকজন। গুরুত্বর আহত অবস্থায় সাহিদকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়,হালেমা খাতুন দীর্ঘদিন যাবত স্বামী পরিত্যক্ত। ওই গ্রামের মজিদ মিয়ার মেয়ে হালেমা। প্রবাসে গিয়ে রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক হন হালেমা। এছাড়া তার বাড়ি সময় অসময়ে অচেনা পুরুষের আনাগোনা রহস্যময় হয়ে উঠছে। স্থানীয়ভাবে এহেন আচরণ পরিহার করার কথা বলা হলেও কারোই কথা কর্ণপাত করেননি। এদিকে,একই গ্রামের সাহিদ মিয়াকে গত ২৯ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সাহিদ মিয়াকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পা কেটে দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় আহত ব্যক্তি সুস্থ ও আগের ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে সাহিদ মিয়া ব্যবসায়ীক কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় হালেমা ও তার ভাই মাহিবুর রহমান সহ একদল লোক সাহিদ মিয়ার (৩৫) উপর হা-মলা চালায়। হা-মলায় তার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বর জখম হওয়ার পর তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যাওয়া সাহিদের স্ত্রী জুলেখা (৩০) ও পুত্র সিয়াম (৭)কেও মা-রধর করে আহত করা হয়। আহতদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।