নিরাপদ অভিবাসন ও অবৈধ পথে বিদেশ না যাওয়ার আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী,
এরশাদুল হক
জেলা প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ
নিরাপদ অভিবাসন ও অবৈধ পথে বিদেশ গমন প্রতিরোধ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল,হক চৌধুরী।
সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার হোসেন,
সুনামগঞ্জ -৫ আসনের সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলন, সুনামগঞ্জ – ৪ আসনের সাংসদ অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ -৩ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ -১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল,
জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী,
সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, যুগ্ম সচিব মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. জিললুর রহমান, পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন প্রমুখ।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “সুনামগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের প্রতিটিতে একটি করে প্রবাসী ও প্রবাসে যেতে আগ্রহী প্রত্যাশীদের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আর সেখানে বিভিন্ন ভাষায়(যেমন আরবি,চায়না,জাপানিসহ অন্যান্য) উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে বিদেশি প্রেরণ করা হবে। এতে করে অবৈধ পথে আর যেতে অনেকেই চাইবে না।
বিগত কিছুদিন আগে সুনামগঞ্জের ৯ জন অবৈধ পথে প্রাণ হারান তারার বিচার সম্পর্কে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন,”তাদের দাখিল করা মামলার দায়িত্ব আমরা আজ হতে গ্রহণ করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে যেসকল দা-লাল জড়িত আছে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এমনি কি তারা বিশ্বের যে দেশেই থাকুক না কেন আমরা তাদের সেই দেশের সরকারের সাহায্য খোঁজে বের করে দেশে এনে বিচার কার্য সম্পূর্ণ করবো। যাতে করে কোনো দা-লাল আর অবৈধ পথে বিদেশ নিতে মানুষকে উৎসাহিত না করতে পারে।
এছাড়া মন্ত্রী অবৈধ পথে মৃত-্যুবরণ করা পরিবারের একজনকে বিনা টাকায় মালয়েশিয়ায় প্রেরণ করবে বলে আশ্বাস দেন।
সর্বশেষে তিনি বলেন,সুনামগঞ্জ জেলাকে আমরা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে৷ প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রম কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সকল কার্যক্রম করবো।
কেননা, এযাবত বাংলাদেশের মধ্যে সুনামগঞ্জের প্রবাসীর সংখ্যা বেশি এমন কি অবৈধভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাওয়া পাশাপাশি সেই পথে গিয়ে প্রাণ হারানোর সংখ্যাও বেশি।