সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক বি/স্ফো/রণ, এর আগে F-7 যুদ্ধবিমান ঢাকার স্কুলে ক্র্যাশ—তাহলে এর পরের বিপর্যয় নামতে পারে কোথায়?
ডেস্ক রিপোর্ট :
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক বি/স্ফো/রণ, এর আগে বিমান বাহিনীর F-7 যুদ্ধবিমান ঢাকার স্কুলে ক্র্যাশ—তাহলে এর পরের বিপর্যয় নামতে পারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৩৫ বছর পুরোনো চীন থেকে কেনা মিং ক্লাসের দুটি সাবমেরিনের ওপর।
বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর বেশিরভাগ অস্ত্রই চীনের পুরোনো অস্ত্র দিয়ে গড়া। হোক সে বিমান বাহিনীর ৫০-এর দশকে ডিজাইন করা F-7 বিমান—যা চীন সোভিয়েত MiG-21-কে কপি করে বানিয়েছিল। অথবা বর্তমানে বিস্ফোরিত হওয়া ট্যাঙ্ক Type 59, যেটা সোভিয়েত T-54 এবং T-55-এর কপি-পেস্ট করা চীনা ট্যাঙ্কের আপগ্রেডেড ভার্সন। সোভিয়েত ইউনিয়ন T-55 ডিজাইন করেছিল ১৯৪০-এর দশকে আর চীন সেটা কপি করে বানিয়েছিল ১৯৫০-এর দশকে। এখন বাংলাদেশে তাদের সেই ট্যাঙ্কের ট্রেনিং এক্সারসাইজের সময় ফায়ারিং করতে গিয়ে ব্লাস্ট করে—এতে দুজন সেনাসদস্য তৎক্ষণাৎ মা*রা যায়, বাকি একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এরপর যেটা হতে পারে সেটা যেকোনো ব্যক্তি যার একটু হলেও সামরিক জ্ঞান রয়েছে সে-ই অনুমান করতে পারবে।
৩৫ বছর পুরোনো চীনের সেকেন্ড হ্যান্ড ২টি Type 035G মিং ক্লাস সাবমেরিন—যা বাংলাদেশের নৌবাহিনীতে বর্তমানে ট্রেনিং দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৯৯০-এর দশকে চীন এই দুই সাবমেরিন তৈরি করেছিল, ২০০৩ সালে সেম Type 035G একই মডেলের সাবমেরিন দুর্ঘটনায় পড়ে সাগরে ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় চীনা নৌবাহিনীর ৭০ জন নাবিক প্রাণ হারায়।
বাংলাদেশ সেই একই মডেলের পুরোনো সাবমেরিন ২০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে আনে ২০১৭ সালে, যা চীনের অবসরে পাঠানোর কথা। আজ ২০২৬ সালে এসে এই সাবমেরিনের বয়স ৩৫ বছরেরও বেশি।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ চীনা অস্ত্রই যেহেতু দুর্ঘটনায় পড়ছে তাই ভবিষ্যতে সাবমেরিনের কী হবে তা বলা যায় না।
সাবমেরিনের মতো জিনিস একবার দুর্ঘটনার কবলে পড়লে অভ্যন্তরে থাকা ট্রেইনিদের বেঁচে ফেরা মুশকিল। কারণ সাবমেরিন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমুদ্রের অভ্যন্তরে থাকে। এমনকি যখন ওপরে উঠে আসে তখনো এর ৯০% বডি সমুদ্রের তলদেশে থাকে।
এখন বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর হাতে সব—তারা ২০০৩ সালে চীনের মতো দুর্ঘটনা আটকাবে, নাকি ঢাকার F-7 ক্র্যাশের মতো ঘটনা আবার দেখবে বাংলাদেশ