লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জে সামাজিক সংগঠন জনজীবন ফাউন্ডেশনের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, কলামিস্ট ও কথাসাহিত্যিক এ কে সরকার শাওন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আবু বকর মাদবর, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল আউয়াল, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য সমালোচক নাজমা আশেকীন শাওন, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিক্রমপুর সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান টিপু, জনজীবন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কে এম সাইফুল্লাহ ভূইয়া, গার্ডিয়ান লাইফের ডিআরএম মো. নূরুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মো. আতিকুর রহমান শিপন এবং সাহিত্যিক ও সংগঠক রমজান মাহমুদ।
জনজীবন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহসভাপতি মো. আমজাদ হোসেন মাস্টার, সহসভাপতি মো. আব্দুল হামিদ মাস্টার, অর্থ সম্পাদক মো. ইয়াছিন সরকার, সহদপ্তর সম্পাদক মো. লিটন শেখ, সহ আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. আল আমিন হোসাইন, সোহরাব হোসেন, সহক্রীড়া সম্পাদক মো. নাদিম মাহমুদ, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা আক্তার, সদস্য রহিমা বেগম ও আমিনা আক্তার, সাংবাদিক ও সংগঠক লিটন মাহমুদ, সাংবাদিক ও সংগঠক রুপা হোসাইনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সমাজ বিনির্মাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় বিভিন্ন পেশার ১৩ জন গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে কবি ও কলামিস্ট হিসেবে এ কে সরকার শাওন, সাহিত্য সমালোচক হিসেবে নাজমা আশেকীন শাওন, সংগঠক হিসেবে মো. আতিকুর রহমান টিপু, সাংবাদিকতায় সাহাদাৎ রানা, সমাজসেবায় মো. আতিকুর রহমান শিপন, শিক্ষকতায় মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, সাহিত্যে রমজান মাহমুদ, মিডিয়া পরিবার হিসেবে মো. লিটন মাহমুদ, বীমা পরিবার হিসেবে মো. লিটন শেখ, তাহমিনা আক্তার ও ফাতেমা আক্তার এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে মো. জিয়াউর রহমান সম্মাননা গ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, জনজীবন ফাউন্ডেশন দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে সামাজিক, মানবিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজনের মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখা বিভিন্ন পেশার গুণী ব্যক্তিদের সম্মানিত করার পাশাপাশি সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।