তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালের বাসায় দিনেদুপুরে ১ লাখ টাকা চু/রি: এলাকায় চাঞ্চল্য।

Desk Editor 16 hours আগে | ০৭:০০ AM

শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপালের বাসায় দিনেদুপুরে ১ লাখ টাকা চু/রি: এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি মোঃ দিলুয়ার হোসেন :

 

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল বিশ্বনাথ দাসের বাসভবনে এক দুঃসাহসিক ও চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর রবিবার দিনেদুপুরে ফাঁকা বাসায় দরজার ছিটকারি ভেঙে ও ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারের তালা ভেঙে নগদ ১ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা চোরেরা।

বিজ্ঞাপন

 

উপজেলার ৩ নং বাহাড়া ইউনিয়নের ডুমরা গ্রামে প্রিন্সিপালের নিজস্ব বাসভবনে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

 

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল বিশ্বনাথ দাস জানান, ঘটনার দিন কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা শুরু হওয়ায় তিনি সকাল ৯টার দিকে বাসা থেকে কলেজে চলে যান। এর আগে সকাল ৮টায় তাঁর স্ত্রীও সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মস্থলে চলে যান। বাসা ফাঁকা থাকার এই সুযোগটি নেয় চোর চক্র।

 

পরে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য প্রিন্সিপাল বিশ্বনাথ দাস বাসায় ফিরে আসেন। এ সময় তিনি ঘরের পেছনের ছিটকানি খোলা দেখতে পেয়ে সন্দেহ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তিনি চারদিক খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পান, ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারের তালা ভাঙা এবং ভেতরে থাকা নগদ ১ লাখ টাকা উধাও।

বিজ্ঞাপন

 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যকার যেকোনো সময়ে এই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে। দিনের আলোয় খোদ একজন দায়িত্বশীল কলেজ শিক্ষকের বাসায় এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল বিশ্বনাথ দাস বলেন, “ডিগ্রি পরীক্ষা শুরু হওয়ায় আমি কলেজে চলে যাই এবং আমার স্ত্রী সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলে যান। দুপুরে বাসায় ফিরে দেখি ঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারের তালা ভেঙে ১ লাখ টাকা নিয়ে গেছে।

 

আমি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানিয়েছি এবং এ ঘটনায় শাল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।”

বিজ্ঞাপন

 

দিনের আলোয় জনবহুল এলাকায় ঘটে যাওয়া এই চুরির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাল্লা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক তরুণ কান্তি দাস। তিনি অবিলম্বে জড়িত চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ