বগুড়া থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৫ দিন পর সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একটি খালের কচুরিপানার নিচ থেকে মো. মিলন (৩০) নামের এক সিএনজিচালকের বস্তাবন্দী ও গলিত মর-দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে ঘাড় ভেঙে হত-্যা করে মর-দেহ গ-ুম করার চেষ্টা করেছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে তাড়াশ-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের বেড়খালি এলাকার একটি খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে মর-দেহটি উদ্ধার করা হয়।
নি-হত মিলন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রাঙ্গালিয়া গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ায় থেকে সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে তাড়াশ-রানীরহাট সড়কের বেড়খালি খালের পানিতে একটি মর-দেহ কচুরিপানার নিচে আটকে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তাড়াশ থানায় জানানো হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মর-দেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নি-হতের মর-দেহের অবস্থা সম্পর্কে তাড়াশ থানার ওসি (তদন্ত) শাহ আলম মোল্লা জানান, মর-দেহটি উদ্ধারের সময় শরীর ফুলে গিয়েছিল এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ঘাড় ভেঙে অত্যন্ত সুকৌশলে হত-্যা করা হয়েছে। হত-্যাকাণ্ডের পর বেশ কয়েক দিন আগে মর-দেহটি খালের কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, গত ২ আগস্ট বগুড়া থেকে হঠাৎই নিখোঁজ হন সিএনজিচালক মিলন। এর তিন দিন পর গত ৫ আগস্ট বগুড়া জেলা পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় তার চালিত সিএনজিটি উদ্ধার করে।
এদিকে স্বামীর নিখোঁজ ও মৃত-্যুর সংবাদ পেয়ে নি-হতের স্ত্রী ও শ্যালক ইতোমধ্যে তাড়াশ থানায় এসে পৌঁছেছেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ মর্মান্তিক হত-্যাকাণ্ডের ঘটনায় নি-হতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। খুব দ্রুতই আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।