তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

প্রবাসীর টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি পেয়েই তালাক।

Desk Editor ১৬ দিন আগে | ০১:৫৮ PM

প্রবাসীর টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি পেয়েই তালাক।

 

ডেস্ক রিপোর্ট|খবর টিভি

স্ত্রীর পড়াশোনা ও সরকারি চাকরির পেছনে প্রবাসীর অর্থ ব্যয়, চাকরি পাওয়ার পর তালাকের নোটিশ পাঠানোর অভিযোগ

 

বিজ্ঞাপন

প্রবাসী স্বামীর ত্যাগ ও দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা

 

প্রায় ১০ বছর আগে মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনের সঙ্গে বিয়ে হয় জান্নাতুল ফেরদৌসের। বিয়ের পর স্ত্রীর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে দীর্ঘদিন আর্থিক সহযোগিতা করেন খোকন। তবে জান্নাতের সরকারি চাকরি পাওয়ার পর তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে তালাকের নোটিশ পাঠানোর ঘটনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

 

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টের বরাতে জানা যায়, বিয়ের পর জান্নাত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাইলে স্বামী খোকন প্রায় চার বছর তাঁর শিক্ষার ব্যয় বহন করেন। এর ফলে জান্নাত অনার্স সম্পন্ন করেন।

 

বিজ্ঞাপন

পরে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য চাঁদপুর থেকে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। স্ত্রীর সেই ইচ্ছাতেও সম্মতি দেন খোকন। প্রবাসে থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বাসাভাড়া, বাজার খরচ, কোচিংসহ পড়াশোনার বিভিন্ন ব্যয় বহন করেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকবার চেষ্টার পর চলতি বছর ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী পদে সরকারি চাকরি পান জান্নাতুল ফেরদৌস।

বিজ্ঞাপন

 

তবে চাকরি পাওয়ার পর স্বামীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কমে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ফোন এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে ওই পোস্টে। একপর্যায়ে স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন অনুভব করেন খোকন।

 

বিজ্ঞাপন

পোস্টে আরও বলা হয়, গত জুলাই মাসে কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশে ফিরে সরাসরি জান্নাতের কর্মস্থলে যান খোকন। স্ত্রীকে চমকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে গেলেও জান্নাত তাঁকে দেখে বিরক-্ত হন এবং অফিস থেকে চলে যান বলে দাবি করা হয়েছে।

 

এর কয়েক দিন পর জান্নাত স্বামীকে তালাকের নোটিশ পাঠান বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

 

প্রবাসে থেকে স্ত্রীর পড়াশোনা ও কর্মজীবনের স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতা করা স্বামীর সঙ্গে এমন পরিণতির বর্ণনা সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে ত্যাগ, বিশ্বাস ও দাম্পত্য সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন।

 

বিজ্ঞাপন

তবে ঘটনাটির বিস্তারিত, তালাকের নোটিশ পাঠানোর কারণ এবং সংশ্লিষ্ট দুজনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এসব তথ্যকে একতরফা বর্ণনা হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

 

প্রতিবেদকের মন্তব্য: দাম্পত্য সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের বক্তব্য জানা জরুরি। ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রকৃত পরিস্থিতি ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য ছাড়া কাউকে এককভাবে দায়ী করা সমীচীন নয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ