তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

বাকৃবিতে শুরু হলো বিএসভিইআরের ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন

Desk Editor 5 hours আগে | ০৫:০৭ PM

বাকৃবি প্রতিনিধি

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পা-চার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

 

বিজ্ঞাপন

 

‘ট্রান্সলেটিং ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনটু সাসটেইনেবল লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোব-াল হেলথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

 

বিজ্ঞাপন

 

সম্মেলনে মূল দুইদিন (৮ ও ৯ আগস্ট) মোট ৩১৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হবে, যার মধ্যে ১১৬টি মৌখিক এবং ২০২টি পোস্টার উপস্থাপনা। এবারের সম্মেলনে দেশ-বিদেশের প্রায় সাড়ে ৬০০ গবেষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ভেটেরিনারিয়ান অংশগ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রবিন এল্ডার্স মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ।

 

বিজ্ঞাপন

 

 

বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপা-চার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যাপক ড সুকুমার সাহার সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপা-চার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিজ্ঞাপন

 

 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ কে এম খসরুজ্জামান। এছাড়া সম্মেলন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলম, সচিব অধ্যাপক ড. তাহসিন ফারজানা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বেসকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

 

সম্মেলনে ফিজিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. ময়নুদ্দিনকে বার্ষিক লেকচার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়।

 

বিজ্ঞাপন

আয়োজকেরা জানান, ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণার ফলাফলকে টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করাই এবারের সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। সম্মেলনে ভেটেরিনারি শিক্ষা, প্রাণিস্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ উৎপাদন, রোগ নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এক সময় ভেটেরিনারিয়ানদের মানুষ এত গুরুত্ব দিত না। তবে এখন পরিধি বেড়েছে। এই সেক্টরে যত গবেষণা হবে, তত উন্নত হবে। খাদ্যের নিরাপত্তা দিতে চাইলে পশুটি সঠিক, রোগ মুক্ত ও খাওয়ার উপযোগী কিনা সেটির নিশ্চিত করতে হবে। এখন মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। মানুষ সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

বিজ্ঞাপন

 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই সেক্টরে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি প্রতিনিয়ত সারাদেশে খোঁজ রাখেন। আমি বলতে চাই, এই সেক্টরকে এগিয়ে নিতে যা যা করণীয়, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিব। আমরা প্রতিটি বিভাগে একটি করে বিশেষায়িত ভেটেরিনারি হাসপাতাল করার চিন্তা করছি।

 

বিজ্ঞাপন

ভেটেরিনারিয়ানদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি ইতিমধ্যেই প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অর্থমন্ত্রী ও অর্থসচিবের সাথে কথা বলেছি এবং প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে আপনাদের চাকরির সুব্যবস্থা করার জন্য আমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ফিশারিজ সেক্টরেও প্রায় ৫০০টি পদের অনুমোদন হয়েছে।

 

আমরা একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ চাই । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপা-চার্য বলেন, গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে তা কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। গত ৬৫ বছরে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে এবং প্রতিষ্ঠান-টি দেশের খাদ্য ও পুষ্টি জ্ঞানের একটি ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে কাজ করছে। শুধু ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্ঞানকেন্দ্রের গবেষকদের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা উচিত নয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ