বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার পরিবর্তে দলীয় পদধারী ব্যক্তিদের বসানোর অপচেষ্টা চলছে। (নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী)
ডেস্ক রিপোর্ট:
সম্প্রতি জনাব নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী নিজের ভেরিফাই ফেসবুক পোস্টে মির্জ আব্বাসের পরিবার সহ একটি ছবি শেয়ার করে লিখেন,
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার পরিবর্তে দলীয় পদধারী ব্যক্তিদের বসানোর অপচেষ্টা চলছে।
এটি শুধু নিয়োগের প্রশ্ন নয়; দেশের সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাতন্ত্র্য, নিরপেক্ষতা ও শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংসের একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা।

অভিযোগ উঠেছে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আফরোজা আব্বাস এবং আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাসাবো থানা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান হিরুকে বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, মির্জা আব্বাস ও ইসমাইল জবিউল্লাহর প্রভাববলয় এসব প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। আরও অভিযোগ এসেছে, ইসমাইল জবিউল্লাহ তাঁর শ্যালককে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে মির্জা আব্বাসের মাধ্যমে ডিও লেটার সংগ্রহ করেছেন এবং বিভাগীয় কমিশনারের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এছাড়াও শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের পিএস সোহেল বিভিন্ন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।
যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখনোই দলীয় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্র হতে পারে না। যোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতেই নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করুন। অন্যথায়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।