ষষ্ঠ শ্রেণীর মেয়েকে টানা সাড়ে ৪ বছর ধ’র্ষণ,৬ মাসের গর্ভবতী।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল (৫৫ বছর) নামের এক ব্যক্তি ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে স্কুল পড়ুয়া ষষ্ঠ শ্রেণীর সেই ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করে। ধ’র্ষণের সময় সে ভিডিও করে রাখে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত টানা সাড়ে তিন বছর সেই ধ’র্ষক ও তার সাথে আরও ৫ জন একত্রে ধ’র্ষণ করে গেছে। কখনো কেউ একা ধ’র্ষণ করেছে, আবার কখনো সবাই একসাথে। মোটকথা, স্কুল পড়ুয়া বাচ্চা মেয়েটি টানা সাড়ে তিন বছর সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণের শি’কার হয়েছে। এখন মেয়েটি ছয় মাসের গ’র্ভবতী। এমনকি গ’র্ভবতী হবার পরও একই ঘটনা তার সাথে প্রতিনিয়ত ঘটেছে। তারপর যখন গর্ভের সময় বেড়ে গেছে তখন ধ’র্ষকগোষ্টী ধারণ করা আ’পত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দিয়েছে।
একটাবার চিন্তা করেন, ষষ্ঠ শ্রেণীর বাচ্চা একটা মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধ’র্ষণ করা হয়েছে। এই পা’শবিকতা টানা সাড়ে তিন বছর চলেছে। পুরো সময়টা কি বি’ভীষিকাময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মেয়েটিকে যেতে হয়েছে। যারা এই লো’মহর্ষক ঘটনাটি ঘটিয়েছে তারা সবাই মেয়েটির বাবার বয়সী। এখন মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থায় গ’র্ভপাত করানোও সম্ভব না। মেয়েটির পেটের সন্তানের বাবা কে সেটাও কেউ জানে না। কারণ তাকে প্রতিনিয়ত পাঁচ জন মিলে ধ’র্ষণ করেছে। এবং এই বোঝা মেয়েটির সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। এই মেয়েটার ভবিষ্যৎ কি বলেন তো!
মেয়েটার বাবা অথবা ভাই যদি আপনি অথবা আমি হতাম? মেয়েটি যদি আপনার অথবা আমার সন্তান অথবা বোন হতো?
জানা গেছে, ধ’র্ষকদের মূল হোতা বকুল ভূঁইয়া কেন্দুয়ার ওয়ার্ড বিএনপির নেতা। ইতিমধ্যে বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু এটা কোনো ইফেক্টিভ স্টেপ নয়। যেহেতু ধ’র্ষক বিএনপির সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত সেক্ষেত্রে বিএনপির উচিত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
ধ’র্ষক যে দলেরই হোক,যে মতেরই হোক ধর্ষ’ক তো ধ’র্ষকই।
আমাদের বর্তমান সমাজে ধর্ষ’ণ এক মারাত্মক ব্য’ধিতে রুপ নিয়েছে। এই সংক্রামণ ব্যধি থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। যারা ধ’র্ষক এদের কোনো দল নেই। আমি বিশ্বাস করি, ধর্ষ’কদের পক্ষে কোনো দলই অবস্থান নেবে না এবং নেবার সুযোগও নেই। সরকারকে বলতে চাই, ধর্ষ’কদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে আমরা আপনাদের পুরোপুরি সহযোগিতা করবো। কিন্তু আর কাউকে ধর্ষি’তা হতে দেখতে চাই না। ধ’র্ষণ রুখতে চাইলে দ্রুত বিচারকার্য বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
ধ’র্ষকদের একমাত্র শাস্তি মৃ’ত্যুদ’ন্ড।