তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

সিলেটে রায়হান হ/ত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃ/ত্যু/দণ্ড।

Desk Editor 1 hour আগে | ০৯:৫২ PM

সিলেটে রায়হান হ/ত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃ/ত্যু/দণ্ড।

 

বদরুর রহমান বাবর সিলেট ব্যুরো:

 

সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্-যাতনে রায়হান আহমদ হত-্যা মামলায় প্রধান আসামি পুলিশের বহিষ্কৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত-্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও দুই আসামিকে যাবজ্জীবন এবং তিন আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত-্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আকবর হোসেন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশীদ দুজন পুলিশের কনস্টেবল ছিলেন। রায়ে অন্য তিন আসামির মধ্যে বহিস্কৃত এসআই আশেক এলাহী, এসআই হাসান উদ্দিন ও সংবাদকর্মী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারসূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে রায়হান আহমদকে নির্-যাতন করা হয়। ১১ অক্টোবর তার মৃত-্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত-্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে। তারা ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্-যাতনের সত্যতা পায়। ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর পুলিশি হেফাজত থেকে কনস্টেবল হারুনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আকবরকে ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২১ সালের ৫ মে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পিবিআই। অভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। অন্যরা হলেন এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ, টিটু চন্দ্র দাস, সাময়িক বরখাস্ত এসআই মো. হাসান উদ্দিন ও এসআই আকবরের আত্মীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান (৩২)। গত বছরের ১৮ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়।

মামলার প্রধান আসামি কোতোয়ালি মডেল থানার বন্দরবাজার ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ আকবর হোসেন ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। পরে তার জামিন স্থগিত করে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো তিনি সেই নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে আছেন। এছাড়া আবদুল্লাহ আল নোমানও এখন পলাতক রয়েছেন। বাকি চার আসামি কারাগারে রয়েছেন। আবদুল্লাহ আল নোমানের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মালামাল ক্রোকের আদেশ তামিল করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ