তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

সিলেট শহরে ব-ালুচর জোনাকি আবাসিক এলাকার পাহাড় ও টিলাধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

খবর টিভি ডেস্ক 1 hour আগে | ০১:৪৫ AM

সিলেট শহরে ব-ালুচর জোনাকি আবাসিক এলাকার পাহাড় ও টিলাধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

 

সিলেট থেকে বদরুর রহমান বাবর এর তথ্য চিত্রে বিস্তারিত :

 

বিজ্ঞাপন

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে পাহাড় ও টিলা কাটায় অতিবৃষ্টিতে এ আশঙ্কা আরো বেড়েছে। অতিবর্ষণে মাটি নরম হয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে পাহাড় ও টিলার পাদদেশে বসবাসকারী হাজারো মানুষের জীবন এখন ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

সিলেটে দীর্ঘদিন ধরে আড়াই শতাধিক পরিবার টিলার পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সিলেট সদর ও সিটি কর্পোরেশনের ৩৬ নং ওয়ার্ড ব-ালুচর জোনাকি,বাদামতলী সহ কয়েকটি টিলা,আখালিয়া, ব্রাহ্মণশাসন, দুসকি, টিলারগ পাঠানটুলা গুয়াবাড়ি, জাহাঙ্গীর নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় টিলার নিচে বসতি গড়ে উঠেছে। এমনকি আখালিয়া বড়গুল এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা টিলা দখল করে অর্ধশতাধিক পরিবার বসবাস করছে। এসব স্থানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। কেউ নামমাত্র টাকা দিয়ে দখলদারদের কাছ থেকে জায়গা কিনেছে, আবার কেউ ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছে। খাদিমনগর ইউনিয়নের ভাটা এলাকায় একটি মাদরাসার সামনে ও পেছনে নির্বিচারে টিলা কাটার অভিযোগ রয়েছে। টিলা কাটার ফলে মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন

 

ব-ালুচর জোনাকি সহ বিভিন্ন এলাকার চিত্র আরো ভয়াবহ। সেখানে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে অবাধে পাহাড় ও টিলা কাটা হচ্ছে। প্রভাবশালী পাহাড়খেকো চক্র বসতবাড়ি, তৈরি জন্য এবং মাটি বিক্রির উদ্দেশ্যে এ ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

 

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে সিটি কর্পোরেশন সহ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপকভাবে টিলা কাটা হচ্ছে। এলাকায় টিলা কেটে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। উঁচু টিলার ক্ষতবিক্ষত বুকজুড়ে আছে সদ্য মাটি কাটার চিহ্ন,বেরিয়ে রয়েছে লাল মাটি। প্রভাবশালীরা প্রথমে বনাঞ্চল উজাড় করে, তারপর সুযোগ বুঝে ন্যাড়া টিলার মাটি কাটতে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নিয়মিত তৎপরতা না থাকায় এসব এলাকার পাহাড়-টিলায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করছে অনেক মানুষ।

 

পরিবেশ অধিদপ্তর কয়েকজন কর্মকর্তা পরিদর্শন করেন,সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া টিলা কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাইদুল ইসলাম বলেন,‘খবর পেলেই আমরা অভিযান চালাই। মামলা করি। শুধু আইন প্রয়োগ করে এটি বন্ধ করা যাবে না, এজন্য মানুষের সচেতনতাও প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপন

 

সিলেটে পাহাড় কাটা ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরো কঠোর হবেন প্রয়োজনে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ