লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ:
মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আদালতের জন্য সরকারি আইনজীবী (ল’ অফিসার) প্যানেল পুনর্গঠন করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন আদেশে জেলা জজ আদালত, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, নারী ও শি-শু নির্-যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং শি-শু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য নতুন সরকারি আইনজীবীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে (স্মারক: ১০/২০২৪(অংশ-১)-১২৩) পূর্বের নিয়োগাদেশ বাতিল করে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা জজ আদালতের জন্য দুজনকে সাময়িকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এতে মো. ভোতা মিয়াকে সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) এবং মো. জাকারিয়া মোল্লাকে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা মো. জাকারিয়া মোল্লার নিয়োগসংক্রান্ত পূর্বের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে জারি করা আরেক প্রজ্ঞাপনে (স্মারক: ১০/২০২৪(অংশ-১)-১৭) ১০ নভেম্বর ২০২৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নিয়োগাদেশ বাতিল করে জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং অধীনস্থ আদালতসমূহের জন্য নতুন সরকারি আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়।
নতুন আদেশ অনুযায়ী মো. মুমুন মিয়া সরদারকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন চানীকে নারী ও শি-শু নির্-যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি, মো. জাহাঙ্গীর আলমকে শি-শু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এবং সালমা আফরিনকে একই ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জন্য আরও চারজন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
প্রজ্ঞাপন দুটিতে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষর করেছেন।