তাজা খবর
বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকের ছেলেকে মা-রধরের অভিযোগ, জামালপুর-শেরপুর সড়ক অবরোধ

Desk Editor ৫ দিন আগে | ১১:১৮ PM

জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় টোল দিতে দেরি হওয়ায় এক সাংবাদিকের ছেলেকে মা-রধরের অভিযোগ উঠেছে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে এ অবরোধ শুরু হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, বিকেলে ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলামের ছেলে সাদিকুর রহমান সুমন তার বাবার প্রেসের স্টিকার লাগানো মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। এ সময় ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় টোল দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন তিনি। মোটরসাইকেল পাশে রেখে ৫ টাকা টোল দিতে দেরি হওয়ায় টোলপ্লাজার কর্মচারীরা তাকে মা-রধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে জামালপুরের একাধিক সাংবাদিক টোলপ্লাজায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তাদের ওপরও হা-মলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় কর্মচারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর আক্-রমণ করলে শহিদুল ইসলাম তুফান নামে এক স্থানীয় সাংবাদিক আহত হন।

বিজ্ঞাপন

পরে ভুক্তভোগী সুমনের স্বজন ও বন্ধুরা এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা প্রথমে জামালপুর শহরের বন্দেরবাড়ি এলাকায় এবং পরে ব্রহ্মপুত্র সেতুর জামালপুর অংশের টোলপ্লাজার সামনে সড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।

ভুক্তভোগী সাদিকুর রহমান সুমন বলেন, ❝টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আমাকে মা-রধর করা হয়েছে। যারা আমাকে মেরেছে, দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

এ বিষয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের ছেলে বা অন্য কেউ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাকে জানাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক অবরোধের ঘটনাটি জামালপুর অংশে হওয়ায় জামালপুরের পুলিশও বিষয়টি দেখবে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, ❝আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। কথা বলে অবরোধের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হোম
লাইভ